আগামী ২৪ জুন তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি সেবা (থ্রি জি) তরঙ্গ নিলামের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
থ্রি জি লাইসেন্স ও তরঙ্গ নিলামের জন্য শুক্রবার সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে।



থ্রি জি নিলামে আগ্রহীরা লাইসেন্স নীতিমালা বিটিআরসি থেকে নিতে পারবে। তা বিশ্লেষণে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় পাবেন তারা।
বিটিআরসি চেয়াম্যান বলেন, আগামী ১৪ মার্চ নিলামে আগ্রহীদের সঙ্গে প্রি-বিড বৈঠক হবে।
নিলামে আগ্রহীদের আগামী ১২ মে দরখাস্ত জমা দিতে হবে এবং এ দরখাস্ত যাচাই-বাছাই করে ২০ মে নিলামযোগ্য অপারেটরদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
আগামী ৩০ মের মধ্যে নির্বাচিত অপারেটরদের বিড আর্নেস্ট মানি হিসেবে ২ কোটি ডলার জমা দিতে হবে।
চূড়ান্ত নিলামে অংশগ্রহণে যোগ্য অপারেটরদের নাম আগামী ৫ জুন প্রকাশ করবে বিটিআরসি।
এসব প্রক্রিয়ার পর আগামী ২৪ জুন থ্রি জির চূড়ান্ত নিলাম হবে বলে জানান সুনীল কান্তি বোস।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গ মূল্য ২ কোটি ডলার নির্ধারণ করে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি সেবা (থ্রি জি) লাইসেন্স নীতিমালা চূড়ান্ত করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
চূড়ান্ত নীতিমালায় বাংলাদেশের বেসরকারি পাঁচ মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে তিনটি এবং নতুন এক অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ছয় অপারেটরের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের পরীক্ষামূলক থ্রি জি সেবা দিচ্ছে। খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী টেলিটক নিলামে অংশ না নিলেও নিলামে যে দর উঠবে, সে পরিমাণ টাকা দিয়েই টেলিটককে লাইসেন্স নিতে হবে।
টেলিটকসহ মোট ৫ অপারেটর থ্রি জি লাইসেন্স পাবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
চূড়ান্ত নীতিমালা ১৫ বছরের জন্য থ্রি জি লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
চূড়ান্ত নীতিমালায় ১০ মেগাহার্টজ এর পরিবর্তে অপারেটরদের নিলামে ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গের ব্লক দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তরঙ্গ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বড় মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো দুটি করেও ব্লক নিতে পারবে, তবে নিলামের পর কোনো ব্লক যদি বাকি থাকে পরে কোনো অপারেটর সে ব্লক নিলামের দরে কিনে নিতে পারবে।
গত ২৮ মার্চ থ্রিজি মোবাইল সার্ভিস লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি।
পাঁচটি অপারেটরকে থ্রি জি লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।
খসড়া নীতিমালায় বাংলাদেশের বেসরকারি পাঁচ মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে তিনটি এবং নতুন এক অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।




http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article590736.bdnews


আর কত দেরি???