User Tag List

Results 1 to 6 of 6

Thread: একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, একের পর এক কেলেঙ্

  1. #1
    Member
    • furiousTaher's Gadgets
      • Motherboard:
      • Asus z170p || Asus p8 P67m pro
      • CPU:
      • i7 6700k || i5 2400
      • RAM:
      • 2 x Ripjaws 8gb 3200C16D 16GVKB || (Transcend 4gb + Adata 4gb) 1333
      • Hard Drive:
      • Evo 850 250gb + Toshiba 2tb || WD 500gb blue
      • Graphics Card:
      • Zotac gtx 1060 amp || Sapphire r7 260x 1GB
      • Display:
      • Asus vx229h ||Samsung 21.5" S22A300B
      • Sound Card:
      • Xonar dgx
      • Speakers/HPs:
      • Microlab 223 || AltecLansing VS2621 + a4tech hs100
      • Mouse:
      • a4tech x7
      • Power Supply:
      • Adata HM 850w || Thermaltek 600 TR2 S
      • Optical Drive:
      • Asus dvd writer 24x max
      • USB Devices:
      • Phantom 240 red/black || Vatyn 664b (Tyrannosaurus)
      • UPS:
      • Power guard 1200va
      • Comment:
      • :D
    furiousTaher's Avatar
    Join Date
    Apr 2010
    Location
    Dhaka
    Posts
    8,151

    Unhappy একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, একের পর এক কেলেঙ্&am

    একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, একের পর এক কেলেঙ্কারি

    http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-09-06/news/287037



    আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নিয়েছে ২০০৯ সালের শুরুতে। এরপর চলে গেল সাড়ে তিন বছরের বেশি সময়। একটু পেছনে ফিরে তাকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেখবেন যে, তাঁর দায়িত্বের সময় বড় ধরনের চারটি আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। যেমন: ২০১০ সাল ছিল শেয়ার কেলেঙ্কারির বছর; ২০১১ সাল পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারির বছর; ২০১২ সালের শুরুটা হয়েছিল ডেসটিনি কেলেঙ্কারি নিয়ে; কিন্তু এর রেশ না কাটতেই শুরু হলো হলমার্ক কেলেঙ্কারি।
    এবারের শেয়ার কেলেঙ্কারি ছিল দেশের সবচেয়ে বড়, যা ১৯৯৬ সালকে ছাড়িয়ে যায়। পদ্মা সেতুর মতো এত বড় প্রকল্পের ঋণচুক্তি বাতিলের ঘটনা বিশ্বে আর কোথাও হয়নি। অর্থের পরিমাণ বিচারে হলমার্ক কেলেঙ্কারিও দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যাংক কেলেঙ্কারি।
    সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সব কটি কেলেঙ্কারিই অর্থনীতিসংক্রান্ত। এসব কেলেঙ্কারির দায়দায়িত্ব সরকারেরই। কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি, বরং সরকারের মধ্যে সাধারণ প্রবণতা ছিল অনিয়ম, দুর্নীতি বা জালিয়াতির খবর অস্বীকার করা। এ কারণে একদিকে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি, অন্যদিকে কেলেঙ্কারির নায়কেরা উৎসাহ পেয়েছেন। এতে কেলেঙ্কারি আওতার বাইরে চলে যায়।
    হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়েও এখন অনেক ঘটনা দেখা যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন। এসব কথাবার্তায় মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি বরং বেড়েছে। অর্থমন্ত্রীর কিছু পদক্ষেপেও সংশয় বেড়েছে। কেলেঙ্কারির দায় যাঁদের ওপর বর্তায়, তাঁদের শাস্তি না দিয়ে পুরস্কারও দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেকেরই ধারণা, দায়ী এবং নিরীহ কিছু ব্যাংক কর্মকর্তার চাকরি চলে গেলেও হলমার্ক গ্রুপের কিছুই হবে না। বাইরে থেকে যাঁরা হলমার্ক গ্রুপকে জালিয়াতি করার সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করেছেন, তাঁরাও থেকে যাবেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
    অর্থমন্ত্রী গত মঙ্গলবার বললেন, তিন বা চার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি বড় কিছু নয়। গতকাল আবারও একই কথা বললেন তিনি। তিনি বলেছেন, ব্যাংকিং খাতের দেওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে চার হাজার কোটি টাকা সামান্য। এ নিয়ে গণমাধ্যম বাড়াবাড়ি করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠনের সুপারিশ করে যে প্রতিবেদন পাঠায়, তাকেও এখতিয়ারবহির্ভূত বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী। ফলে এসব কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আবারও উৎসাহ পেয়েছেন। অর্থমন্ত্রী নিজেও গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বীকার করেন যে, তিনি এভাবে বললে দুর্নীতি হয়তো উৎসাহিত হয়।
    এটা ঠিক যে অর্থমন্ত্রীর একার পক্ষে সশরীরে গিয়ে দুর্নীতি-অনিয়ম তদন্ত করা সম্ভব নয়। এ জন্য নির্দিষ্ট সংস্থা আছে। যেমন: শেয়ারবাজারের জন্য আছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। যদিও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির জন্য এসইসি নিজেও দায়ী ছিল। ব্যাংক খাত দেখভালের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপরও দায় বর্তায়। তবে এককভাবে এই দায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে পুরোপুরি চাপানো ঠিক হবে না। কারণ, অর্থমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর দেখভালের দায়িত্ব নিজেই দিয়েছেন তাঁর মন্ত্রণালয়ের নতুন বিভাগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওপর।
    ১৯৯৪ সালে বিএনপি সরকারের শেষ দিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রথমবারের মতো ব্যাংকিং বিভাগ চালু হয়েছিল। পরে আওয়ামী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছরের মাথায় ১৯৯৮ সালে ব্যাংকিং বিভাগ বাতিল করে একে আবারও ব্যাংকিং অনুবিভাগে রূপান্তর করা হয়েছিল। অথচ এবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেই আবার তৈরি করল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এর ফলে ব্যাংকিং খাতে দ্বৈত শাসনের উদ্ভব হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর পরিদর্শন পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখলেও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না। এ ক্ষমতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। তাই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা তাকিয়ে থাকেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওপর। একই পরিস্থিতি পর্ষদের ক্ষেত্রেও। পর্ষদ নিয়োগ দেয় সরকার। এখানেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো কর্তৃত্ব নেই।
    ব্যাংক দেখভাল করার কোনো দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নেই। বরং বিভাগটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ যেমন: ঋণ অনুমোদন, পদোন্নতি ও বদলির ক্ষেত্রে তদবিরের একটা বড় জায়গা হয়ে গেছে। এই বিভাগটি অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়াই হবে সঠিক কাজ। অর্থমন্ত্রী এই কাজটি করবেন কি না, সেটাই প্রশ্ন।
    সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা, অর্থনীতিবিদ মির্জ্জা এ বি আজিজুল ইসলাম প্রথম থেকেই বলে আসছেন, এই বিভাগের আদৌ প্রয়োজন নেই। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে গতকাল তিনি আবারও একই কথা বললেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ব্যাংক খাত দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। আর বিমা খাতের জন্য তৈরি হয়েছে বিমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। সুতরাং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রয়োজনই নেই।
    আগের আওয়ামী লীগ আমলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন ড. আতিউর রহমান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের মতো অর্থনীতিবিদেরা। আর বর্তমান পরিচালকদের তালিকায় আছেন আওয়ামী লীগের নিম্ন ও মধ্যম সারির নেতা-কর্মী। যাঁদের ব্যাংক সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই, আছে কেবল তদবির ও দুর্নীতি করার ক্ষমতা। দলের নেতা-কর্মীদের পুরস্কার দেওয়ার প্রবণতার কারণে গভীর সংকটে পড়ে আছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এসব ব্যাংক।
    পর্ষদের কারণে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো যে সংকটে পড়বে, সেই আশঙ্কা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারিই অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে পর্ষদ পরিবর্তনের সুপারিশ করে গভর্নর লিখেছিলেন, ‘ব্যাংকের ঋণ অনুমোদন, বদলি ও পদোন্নতি ইত্যাদিতে পর্ষদের সদস্যরা সরাসরি হস্তক্ষেপ ও প্রভাব বিস্তার করছেন।’ সেই চিঠি আমলে নেওয়া হয়নি। বরং পর্ষদের সদস্যদের ডেকে এনে বৈঠক করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। সেই বৈঠকে একাধিক পর্ষদ সদস্য অর্থমন্ত্রীর সামনেই গভর্নরের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। অর্থমন্ত্রী কিছুই বলেননি। সে সময় গভর্নরের চিঠি আমলে নেওয়া হলে হলমার্ক কেলেঙ্কারির মতো ঘটনা হয়তো এড়ানো যেত।
    ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৬(৬) ধারায় বলা আছে, ‘সরকার কর্তৃক মনোনীত বা নিযুক্ত কোনো চেয়ারম্যান, পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীর আচরণ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের নিকট কোন প্রতিবেদন পেশ করিলে সরকার উহা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করিবে।’ আইনের এই ধারা মেনে গত ২৭ মে গভর্নর আবারও পর্ষদ পুনর্গঠনের সুপারিশ করে অর্থমন্ত্রীকে প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। আইনে বলা আছে, এ ধরনের সুপারিশ সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। গুরুত্বসহকারে বিবেচনার নজিরও দেখালেন গতকাল অর্থমন্ত্রী। সোনালী ব্যাংক ছাড়া বাকি সব ব্যাংকের চেয়ারম্যানের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘পর্ষদের সদস্যদের মধ্য থেকেও কেউ থাকবেন, কেউ যাবেন।’
    সুতরাং আগামী কয়েক দিন সরকারি মহলে চলবে নানা ধরনের যোগাযোগ, তদবির। যাঁদের যোগাযোগ বেশি ও ভালো, তাঁরা আবার পরিচালক হবেন। ব্যাংকগুলো চলবে আগের মতোই। সুযোগও থাকবে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের। এভাবেই একের পর এক অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে সংকটে পড়ে গেছে দেশের ব্যাংকিং খাত। অথচ এ থেকে উত্তরণের পরিবর্তে সংকট তীব্র করার পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে একের পর এক।
    সামগ্রিক পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রীর কাছে দাবি তিনটি। এক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া। দুই, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক দেখভালের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া। তিন, ব্যাংকগুলোকে কোম্পানি করা হয়েছে, সুতরাং চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের দায়িত্ব পর্ষদের ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি একটি নিরপেক্ষ প্যানেলের মাধ্যমে পর্ষদ সদস্য নিয়োগ প্রদান।




    বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে অর্থমন্ত্রী
    এ মুহূর্তে সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি বোধ হয় আমি

    http://www.prothom-alo.com/detail/da...06/news/287106


    হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে জাতীয় সংসদ আবার উত্তপ্ত হলো। আজ বৃহস্পতিবার সরকারি দলের সাংসদেরা এ বিষয়ে সরকার ও অর্থমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করেছেন।
    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, জালিয়াতির সঙ্গে তাঁর মন্ত্রণালয় বা সরকার জড়িত নয়। চার হাজার কোটি টাকা কিছুই নয়—এ বক্তব্যের জন্য তিনি সংসদ ও দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
    ‘খুলনা উন্নয়ন ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা-সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে হলমার্কের বিষয়টি আলোচনায় আসে। গতকাল বুধবারও হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়।
    সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০১১ সালে সোনালী ব্যাংক হলমার্কের ব্যাপারে দুটি প্রতিবেদন দিয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে দুটি প্রতিবেদনই অসত্য ছিল। প্রথমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ হলমার্ককে ৬৫ কোটি টাকা ঋণ দেয়। এর সুযোগে কর্মচারীদের যোগসাজশে তারা অনেক টাকা পাচার করে।’
    অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে সোনালী ব্যাংক তদন্ত শুরু করে অনেক কিছু পায়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকও তদন্ত করে। তারাও যথেষ্ট তথ্য পায়। তারা সোনালী ব্যাংককে জানিয়ে দেয়, এর সঙ্গে কিছু দুষ্টলোক জড়িত। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোনালী ব্যাংক ফাংশনাল অডিটের (কার্যক্রম নিরীক্ষা) হুকুম দেয়। ১৩ জুলাই এর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। রীতি অনুযায়ী সেটা কখনো প্রকাশ করা হয় না। এর উদ্দেশ্য হলো, প্রথমে জড়িতদের সঙ্গে কথা বলে স্বীকৃতি আদায় করা। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলো, স্বীকৃতি আদায় করে কী করে টাকা-পয়সা আদায় করা যায় এবং তাঁদের বলা, যে টাকা নিয়েছেন, তা ঋণ হিসেবে গণ্য করে তার জন্য জামানত জমা দেন। কারণ জামানত থাকলে ঋণ আদায় হওয়ার সুযোগ থাকে। তারপর মামলা-মোকদ্দমা বা দুদকে যাওয়া যাবে।
    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যা হলো, বিষয়টি গোপন থাকেনি। এতে ভালো-খারাপ দুটোই আছে। আমার সাড়ে তিন বছরের অভিজ্ঞতা হলো, যথাযথ সাক্ষীর অভাবে মামলা চালানো যায় না। এ জন্য দুদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হলো, দুদক এসব তদন্তের জন্য নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান।’
    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ ৬৫ কোটি টাকার ঋণ ছাড়া অন্য কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। সোনালী ব্যাংক অসত্য বিবরণ দিয়েছে। দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ১৯ জনকে সাময়িক বরখাস্ত ও দুজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে।
    এর আগে দেওয়া একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চার হাজার কোটি টাকা তেমন কিছু না। সেদিন আমার এই কথাটা বলা ঠিক হয়নি। বলা হচ্ছে, এতে দুর্নীতিকে উত্সাহিত করা হচ্ছে। এ জন্য আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন।’
    এরপর আবদুল জলিল বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী বলেছেন, চার হাজার কোটি টাকা কিছু না। কত টাকা হলে কিছু হবে? অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দুই হাজার কোটি টাকা পাওয়া যাবে। তাহলে বাকি টাকার কী হবে?’ তিনি এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে বিবৃতি দাবি করেন।
    আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘এত বড় ঘটনার পর এখন পর্যন্ত কেন একজনও গ্রেপ্তার হলো না। চার হাজার কোটি টাকা কোথায় গেল, জাতি জানতে চায়।’
    তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ জড়িত। এদের কেন অপসারণ করা হচ্ছে না, এ পর্ষদ রাখলে দায় সরকারের ওপর আসবে।’
    অর্থমন্ত্রীর কাছে বিবৃতি দাবি করে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ইতিহাস সবার জানা উচিত। আগারগাঁওয়ের একটি মুদি দোকান থেকে তার উত্থান। ব্যাংকের কেউ জড়িত না থাকলে সে এত দূর আসতে পারে না। সরকার জড়িত আছে কি না, খুঁজে দেখা উচিত।’
    সবশেষে অর্থমন্ত্রী আবার বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, ‘হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। এ ঘটনায় সরকারের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে আমি কোনো প্রমাণ পাইনি। আমি বিশ্বাস করি, মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে জড়িত না। তদন্ত চলছে, ধরা পড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তদন্ত পরিচালনার জন্য পর্ষদ রাখা দরকার। ৯ সেপ্টেম্বর পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ এমনিতেই শেষ হবে। তখন ভেবেচিন্তে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি বোধ হয় আমি। যাঁরা ঘৃণা করেন, তাঁদের ঘৃণার করার অধিকার আছে। কারণ, এটা নিয়ে দেশে আলোড়ন চলছে। তবে আমার ব্যাংক খাতের স্বাস্থ্য ভালো, অর্থনীতিও ভালো। দুর্জন সব জায়গাতেই থাকে, আমাদের এখানেও আছে। তদন্তের স্বার্থে অপেক্ষা করেন, জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে। সোনালী ব্যাংক মূল্যবান ব্যাংক, এখানে খেলাপি ঋণ কম। তাই এটাকে রক্ষা করতে হবে।’



    হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারি
    পাঁচ ব্যাংকের ওপর তদন্ত করবে সংসদীয় কমিটি

    http://www.prothom-alo.com/detail/da...04/news/286473




    হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারি এবং এতে রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। এ জন্য কমিটি পাঁচটি ব্যাংকের কার্যক্রম তদন্ত করতে একটি উপকমিটি গঠন করেছে।
    গতকাল সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়, কমিটির সদস্য তাজুল ইসলামকে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। অপর দুই সদস্য হলেন এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজী। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংসদীয় তদন্ত কমিটি সোনালী, অগ্রণী, রূপালী, জনতা ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণগ্রহীতার লেনদেনসহ সার্বিক কাজ এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
    বৈঠক শেষে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ও বেসিক ব্যাংকের সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কমিটির সদস্যরা হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনা এবং এতে ব্যাংকগুলোর ভূমিকায় হতাশ। ব্যাংকগুলোর আর্থিক লেনদেন, নিয়ম সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কি না, তা-ও কমিটি খতিয়ে দেখবে।
    সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে গতকাল অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, মো. আলী আশরাফ, এ কে এম মাঈদুল ইসলাম ও তাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    - - - Updated - - -

    graphics card er daam abar na bare ((((

  2. #2
    Member
    • Single Player's Gadgets
      • Motherboard:
      • Foxconn H55MXV
      • CPU:
      • Core i3 540
      • RAM:
      • 2+2 GB DDR3 (1333 MHz)
      • Hard Drive:
      • 400 GB Samsung(320+80 @ 7200RPM)
      • Graphics Card:
      • 1 GB HD5570 DDR3
      • Display:
      • Samsung 793DF
      • Sound Card:
      • Realtek HD Audio | Creative Sound Blaster Live!
      • Speakers/HPs:
      • Creative 4400 4:1
      • Keyboard:
      • A4Tech KRS-86 Multimedia
      • Mouse:
      • Havit HV-MS686
      • Controller:
      • None
      • Power Supply:
      • TT Lite Power W0316
      • Optical Drive:
      • 24x ASUS DVD RW
      • USB Devices:
      • 16GB + 8GB Tanscend
      • UPS:
      • None
      • Operating System:
      • Windows7 (x64)
      • Comment:
      • Not gonna upgrade
      • ISP:
      • DFN BD
      • Download Speed:
      • 550-650 Kb/s
    Single Player's Avatar
    Join Date
    Dec 2011
    Location
    চেয়ারের উপর
    Posts
    1,917

    Default

    Kisu korar nai.Eisob cholse..cholbe..BNP asle hoyto notun onno kisu hobe...amra sudhu takaya takaya dekhbo....

  3. #3
    Member
    • S_F.darkzone's Gadgets
      • Motherboard:
      • Gigabyte EG43m-S2H
      • CPU:
      • Intel Core 2 Duo 2.66ghz
      • RAM:
      • 4 gb twinmos 800 bus
      • Hard Drive:
      • 1 tera western digital x2,250gb samsung x1
      • Graphics Card:
      • 9600 GT Alpha Dog Edition
      • Display:
      • Dell 23'' full hd
      • Speakers/HPs:
      • Hyundai CjC-960
      • Controller:
      • xbox-360 wired controller
      • Power Supply:
      • Thermaltek 420w
      • Optical Drive:
      • I don't freaking own a optical drive
      • Operating System:
      • Windows 7 ultimate pirated edition,yes pirated
      • ISP:
      • BCube
      • Download Speed:
      • 120
      • Upload Speed:
      • 64
    S_F.darkzone's Avatar
    Join Date
    Feb 2010
    Location
    Nikunjo 2,Dhaka
    Posts
    482

    Default

    A gamers concern :
    "graphics card er daam abar na bare (((("

    I can so relate to that!
    But our country is spiraling out of all kinds of control into pure earth bred hell.
    Live with life in your blood,Die with honor in your name.

  4. #4

    Default

    Quote Originally Posted by Single_Player View Post
    Kisu korar nai.Eisob cholse..cholbe..BNP asle hoyto notun onno kisu hobe...amra sudhu takaya takaya dekhbo....

    Bhai eder bikolpo jaara tara aro khida niye ashbey. Karon bohu din taara na khawa. Tokhon aro boro luut-toraj hobey. Sheidik thekey thik i bolsen.

  5. #5
    Member
    • Single Player's Gadgets
      • Motherboard:
      • Foxconn H55MXV
      • CPU:
      • Core i3 540
      • RAM:
      • 2+2 GB DDR3 (1333 MHz)
      • Hard Drive:
      • 400 GB Samsung(320+80 @ 7200RPM)
      • Graphics Card:
      • 1 GB HD5570 DDR3
      • Display:
      • Samsung 793DF
      • Sound Card:
      • Realtek HD Audio | Creative Sound Blaster Live!
      • Speakers/HPs:
      • Creative 4400 4:1
      • Keyboard:
      • A4Tech KRS-86 Multimedia
      • Mouse:
      • Havit HV-MS686
      • Controller:
      • None
      • Power Supply:
      • TT Lite Power W0316
      • Optical Drive:
      • 24x ASUS DVD RW
      • USB Devices:
      • 16GB + 8GB Tanscend
      • UPS:
      • None
      • Operating System:
      • Windows7 (x64)
      • Comment:
      • Not gonna upgrade
      • ISP:
      • DFN BD
      • Download Speed:
      • 550-650 Kb/s
    Single Player's Avatar
    Join Date
    Dec 2011
    Location
    চেয়ারের উপর
    Posts
    1,917

    Default

    Quote Originally Posted by REVx View Post
    Bhai eder bikolpo jaara tara aro khida niye ashbey. Karon bohu din taara na khawa. Tokhon aro boro luut-toraj hobey. Sheidik thekey thik i bolsen.
    Nirmom bastob.Jonmo howar por thekei dktesi...

  6. #6
    Member
    • furiousTaher's Gadgets
      • Motherboard:
      • Asus z170p || Asus p8 P67m pro
      • CPU:
      • i7 6700k || i5 2400
      • RAM:
      • 2 x Ripjaws 8gb 3200C16D 16GVKB || (Transcend 4gb + Adata 4gb) 1333
      • Hard Drive:
      • Evo 850 250gb + Toshiba 2tb || WD 500gb blue
      • Graphics Card:
      • Zotac gtx 1060 amp || Sapphire r7 260x 1GB
      • Display:
      • Asus vx229h ||Samsung 21.5" S22A300B
      • Sound Card:
      • Xonar dgx
      • Speakers/HPs:
      • Microlab 223 || AltecLansing VS2621 + a4tech hs100
      • Mouse:
      • a4tech x7
      • Power Supply:
      • Adata HM 850w || Thermaltek 600 TR2 S
      • Optical Drive:
      • Asus dvd writer 24x max
      • USB Devices:
      • Phantom 240 red/black || Vatyn 664b (Tyrannosaurus)
      • UPS:
      • Power guard 1200va
      • Comment:
      • :D
    furiousTaher's Avatar
    Join Date
    Apr 2010
    Location
    Dhaka
    Posts
    8,151

    Default

    http://bdnews24.com/bangla/details.p...id=205382&hb=5

    ‘হলমার্ককাণ্ডে সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ কর্তারা জড়িত’

    ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অনিয়মের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন বলে দুদককে জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

    বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কন্ট্রোল ও ভিজিল্যান্স বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কান্তি নাথ সাংবাদিকদের বলেন, “এ অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে ব্যাংকের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জড়িত। ঘটনাটি এমনভাবে ঘটেছে যে আমরা আগে আঁচ করতে পারিনি।”

    সম্ú্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নিরীক্ষায় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে ফেলার ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে হলমার্ক গ্রুপই তুলে নেয় আড়াই হাজার কোটি।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অসতর্কতার সুযোগে এ ঘটনা ঘটেছে কি না জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের এই কর্মকর্তা বলেন, “আমার মনে হয় না, তারা না বুঝে এটা করেছেন।”

    শ্যামল কান্তি নাথ জানান, গত মে মাসে পত্রিকার মাধ্যমে তারা অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনাটি জানতে পারেন। এরপর তিন সদস্যের একটি পরিদর্শক দল ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা পরিদর্শনে যায়। ওই দলে তিনি নিজেও ছিলেন।

    “ওখানে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি, এতো বড় দুর্নীতির তদন্ত এক দিনে করা সম্ভব না। পরে বিষয়টি ব্যাংকের বৈদেশিক বিনিময় শাখাকে জানাই।”

    শ্যামল কান্তি নাথের সঙ্গে এদিন সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আরো চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

    এরা হলেন ওই শাখার উপমহাব্যবস্থাপক মো. মোরশেদ আলম খন্দকার ও নেসার আহমেদ এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবুল মোমিন পাটোয়ারি ও শামীম আক্তার।

    এ ঘটনায় মঙ্গলবারও সোনালী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসডব্লিউ/এএইচ/জেকে/১৪৫২ ঘ.

Similar Threads

  1. Replies: 17
    Last Post: July 26th, 2011, 22:37

Tags for this Thread

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •  
Page generated in 0.38302 seconds with 14 queries.