User Tag List

Results 1 to 2 of 2

Thread: Rumors spread that our beloved admired writter Humayun sir died for wrong treatment

  1. #1
    Member
    • Metal's Gadgets
      • Motherboard:
      • GIGABYTE [ GA-EP43-UD3L ]
      • CPU:
      • INTEL(R) Core(TM)2 Quad CPU Q9505 @ 2.83Ghz
      • RAM:
      • APACER 4GB DDR2
      • Hard Drive:
      • SAMSUNG 750GB
      • Graphics Card:
      • NVDIA GeForce 9500 GT
      • Display:
      • Dell E178WFP
      • Sound Card:
      • CREATIVE Sound Blaster 5:1
      • Speakers/HPs:
      • COSONIC CD-779MV
      • Keyboard:
      • A4Tech KR-83 USB [Black]
      • Mouse:
      • A4Tech OP-620D
      • Power Supply:
      • ASUS P-50GA
      • Optical Drive:
      • ASUS DRW 24B1ST
      • Operating System:
      • Windows 7 Ultimate
      • ISP:
      • ISPROS Limited
    Metal's Avatar
    Join Date
    Feb 2012
    Location
    Chittagong
    Posts
    343

    Unhappy Rumors spread that our beloved admired writter Humayun sir died for wrong treatment

    বিশেষায়িত ছেড়ে সাধারণ হাসপাতালে কেন অপারেশন হলো হুমায়ূন আহমেদের?

    শহীদুল ইসলাম, নিউইয়র্ক থেকে

    বিশ্বখ্যাত ক্যান্সার হাসপাতাল নিউইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ন কেটারিং সেন্টার। এই হাসপাতালেই ক্যান্সারের প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। ১২টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছিল তার শরীরে। এরপর চিকিৎসকেরা তার বৃহদান্ত্রে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই বিশেয়ায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল ছেড়ে অপারেশনের জন্য কেন সাধারণ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর সেই প্রশ্ন ধীরে ধীরে সামনে আসছে। এমনকি অসুস্থতা নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং পারিবারিক বন্ধু ও প্রকাশনা সংস্থা অন্যপ্রকাশের কর্ণধার মাযহারুল ইসলামের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতেও তার ভক্তরা এসব প্রশ্ন তুলেছেন।
    বিশেয়ায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল ছেড়ে অপারেশনের জন্য হুমায়ূন আহমেদকে কেন সাধারণ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এই প্রশ্নের জবাবে প্রথম দিকে তার চিকিৎসা তদরকিতে নিয়োজিত নিউইয়র্কের পুস্তুক বিক্রেতা ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মুক্তধারার কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা জানান, অর্থ সাশ্রয়ের জন্য পরিবারের সদস্যরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, মেমোরিয়াল স্লোয়ন কেটারিং সেন্টারে ক্যান্সারের চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। এ ব্যাপারে বিশ্বজিৎ সাহা আর কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে বিশ্বজিৎ সাহার এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে নাম প্রকাশে কয়েকজন প্রবাসী বলেন, মার্কিন মুল্লুকে যে কোনো হাসপাতালে কোনো রোগী ভর্তি হলে আগে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়। এটা যতই ব্যয়বহুল হোক না কেন। পরে চিকিৎসা বাবদ বিল রোগীর ঠিকানায় পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ওই চিকিৎসার ব্যয় মওকুফ করারও সুযোগ রয়েছে। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবারের সদস্যরা অর্থ সাশ্রয়ের কথা বলে হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসা নিয়ে তারা অবহেলা করেছেন। তারা বলেন, আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। তার চিকিৎসায় প্রয়োজনে দেশবাসী সহযোগিতার হাত বাড়াতো।
    একটি সূত্র জানায়, হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসায় ত্রুটি ছিল, যা প্রথম অস্ত্রোপচারের ১০ দিনের মাথায় ধরা পড়ে। গত ১২ জুন বেলভ্যু হাসপাতালে প্রথম অস্ত্রোপচারের পর ১৯ জুন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। জরুরিভাবে তাকে জ্যামাইকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জ্যামাইকা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হুমায়ূন আহমেদের অপারেশনে ত্রুটি আছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ মজা করে বলেছিলেন যে তিনি মামলা ঠুকে দেবেন। ড. মোমেন এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘জ্যামাইকা হাসপাতালে গেলে কেউ আর ফিরে আসেন না। আপনি তো ফিরে এসেছেন।’
    হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় বার জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি এবং অপারেশন হওয়া প্রসঙ্গে একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রথম অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ফিরেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু ৭ দিন পর বাসার চেয়ার থেকে অসাবধনাবশতঃ পড়ে যান হুমায়ূন আহমেদ। এরপর প্রচ- ব্যাথা অনুভব করেন তিনি। জরুরিভাবে তাকে নেওয়া হয়েছিল জ্যামাইকা হাসপাতালে। কিন্তু অপারেশনে ত্রুটি আছে একথা বলে জ্যামাইকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরবর্তী চিকিৎসা না দিয়ে আগের হাসপাতালে স্থানান্তর করে। অথচ চিকিৎসকের কাছে মেহের আফরোজ শাওন কখনো বলেননি তার স্বামী চেয়ার থেকে পড়ে গিয়েছিলেন এবং অপারেশনের ক্ষত স্থানে আঘাত পেয়েছিলেন। চিকিৎসকের কাছে কোনো কথা গোপন করতে নেই।
    বেলভ্যু হাসপাতালে অপারেশনের পর নিউইয়র্কের জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশন এবং কন্সুলেট থেকে নিয়মিত যোগাযোগ করা হত হাসপাতালে। স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মোমেনসহ স্থায়ী মিশনের কেউ না কেউ প্রায় প্রতিদিনই হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসার খোঁজ নিতেন। বিশেয়ায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল ছেড়ে অপারেশনের জন্য হুমায়ূন আহমেদকে কেন সাধারণ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এ প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এ বিষয়টি একান্তই পরিবারের সিদ্ধান্তে হয়েছে। এ ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও তিনি বলেন, মেমোরিয়াল স্লোয়ন কেটারিং সেন্টার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য সর্বোত্তম ও বিশ্বখ্যাত। তার পরিচিত অনেক রোগী দীর্ঘদিন ধরে এখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।
    বেলভিউ হাসপাতালে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচারের পর থেকে হুমাযূন আহমেদের চিকিৎসা নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে চাননি তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং চিকিৎসা তদারকিতে নিয়োজিত অন্যপ্রকাশের কর্ণধার মাযহারুল ইসলাম। হুমায়ূন আহমেদ যেদিন মারা যান এর কয়েকঘণ্টা আগে বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তারা দাবি করেন যে হুমায়ূন আহমেদ ভালো আছেন এবং তাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। এর কয়েকদিন আগে থেকে সংবাদমাধ্যমগুলো হুমায়ূন আহমেদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা তুলে ধরে খবর প্রকাশ করলে মাযহারুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হন। তিনি এ ধরনের সংবাদকে অপসাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকতার কলঙ্ক বলে আখ্যায়িত করেন। এমনকি মৃত্যুর আগের দিন সংবাদপত্রে বিবৃতি পাঠিয়ে তারা দাবি করেন যে হুমায়ূন আহমেদের অবস্থা যতটা খারাপ বলা হচ্ছে ততটা নয়। হুমায়ূন আহমেদকে দেখে এসে তার বন্ধু নাট্য ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর সাংবাদিকদের যেসব তথ্য জানিয়েছিলেন তাও সঠিক নয় বলে দাবি করেন মাযহারুল ইসলাম। জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে হুমাযূন আহমেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। এ প্রসঙ্গে মাযহারুল ইসলাম বলেছিলেন, আমেরিকায় রোগীর প্রাইভেসি রক্ষা করা হয়। স্ত্রী এবং কাছের স্বজন ছাড়া কারো কাছে চিকিৎসকরা কোনো তথ্য প্রকাশ করেন না। সাংবাদিকরা বিভিন্ন ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে যা লিখছেন তা সঠিক নয়।
    একটি সূত্র জানায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জ্যামাইকার বাসায় হুমাযূন আহমেদকে দেখতে গিয়েছিলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসায় ১০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। পরিবারেরর পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, ক্যান্সারের চিকিৎসায় হুমাযূন আহমেদ নিজেই ২ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবেন। এর বেশী প্রয়োজন হলে তিনি প্রয়োজনে সরকারকে জানাবেন।
    হুমায়ূন আহমেদ আর্থিকভাবে সবসময় স্বচ্ছল ছিলেন। তার একটি বই বাজারে এলে রয়্যালটি কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। দেশে অনেক স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের। অথচ অর্থ সাশ্রয়ের জন্য কেন তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া হল তা কারো কাছে বোধগম্য নয়। হুমায়ুন আহমেদের চিকিৎসার সঠিক খবরটিও দেশবাসীকে জানানো হয়নি। অথচ তিনি একটি পরিবারের নয়, দেশের সম্পদ ছিলেন।

    শহীদুল ইসলাম - দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি, যুক্তরাষ্ট্র


    source:


    Click image for larger version. 

Name:	Bengali.png 
Views:	2 
Size:	42.3 KB 
ID:	23910



    Further analysis:
    Causes of leakage in colon surgery... What was the cause in Humayun sir's case?

    1.Poor surgical technique
    2. Wrong or lack of intraoperative judgement
    3. Local complications (sepsis, bowel preparation, drains, role
    of peritoneum and omentum, drugs used during anaesthesia)
    4. Systemic factors (nutritionale state, bloods loss)
    5. Surgeon-related factors, which are of the most important causes
    of an anastomotic leak




    We demand a investigation on what causes the death of Humayun Sir.....


    Some moments with family :


    "চলে যাওয়া মাণে প্রস্থান নয়......"

    Click image for larger version. 

Name:	599761_382070951860368_1326286592_n.jpg 
Views:	2 
Size:	16.5 KB 
ID:	23912

    Last edited by Metal; July 23rd, 2012 at 12:48.
    =====================================================
    Power is not only what you have but what the enemy thinks you have.
    =====================================================

  2. #2
    Member
    • Metal's Gadgets
      • Motherboard:
      • GIGABYTE [ GA-EP43-UD3L ]
      • CPU:
      • INTEL(R) Core(TM)2 Quad CPU Q9505 @ 2.83Ghz
      • RAM:
      • APACER 4GB DDR2
      • Hard Drive:
      • SAMSUNG 750GB
      • Graphics Card:
      • NVDIA GeForce 9500 GT
      • Display:
      • Dell E178WFP
      • Sound Card:
      • CREATIVE Sound Blaster 5:1
      • Speakers/HPs:
      • COSONIC CD-779MV
      • Keyboard:
      • A4Tech KR-83 USB [Black]
      • Mouse:
      • A4Tech OP-620D
      • Power Supply:
      • ASUS P-50GA
      • Optical Drive:
      • ASUS DRW 24B1ST
      • Operating System:
      • Windows 7 Ultimate
      • ISP:
      • ISPROS Limited
    Metal's Avatar
    Join Date
    Feb 2012
    Location
    Chittagong
    Posts
    343

    Default

    ভিন্নমত

    Click image for larger version. 

Name:	427397_297072127057402_975825997_n.jpg 
Views:	1 
Size:	66.9 KB 
ID:	23941

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস আরা বলেছেন, যে মানুষ রিকভারি করছেন দেখে এলাম, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে কবরে শায়িত হওয়া পর্যন্ত অনেক ঘটনাই ঘটেছে। ঘটনার পরিক্রমায় তার মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য আরও দানা বেঁধে উঠেছে। গতকাল মানবজমিন-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ফেরদৌস আরা বলেন, চিকিৎসক আমাকে বলেছেন, হুমায়ূন আহমেদের দেহে ১০০ ভাগ সফল অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তারপরও তার দেহে ইনফেকশন হলো কেমন করে? কেন তাকে অপারেশনের ১০ দিনের মাথায় তড়িঘড়ি করে বাসায় নিয়ে যাওয়া হলো? কেনই বা হঠাৎ করে বাসা পরিবর্তন করলেন শাওন? তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি ২৩শে জুন বিদেশে যাই। শিল্পী হিসেবে বঙ্গমেলার আমন্ত্রণে সেখানকার বিভিন্ন রাজ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। অনুষ্ঠানের মধ্যে জাতিসংঘের স্থায়ী পরিষদের একটি অনুষ্ঠানও ছিল। সেখানকার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ঠিক করলাম- বেলভ্যু হাসপাতালে হুমায়ূন আহমেদকে দেখতে যাবো। ১৭ই জুলাই বেলভ্যু হাসপাতালে সেখানকার সময় সন্ধ্যা ৭টায় তাকে দেখতে গেলাম। হাসপাতালে প্রায় এক ঘণ্টার মতো ছিলাম। এ সময় তার খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। অনেক কথাই শুনলাম। আমি যখন সেখানে যাই তখন তার ছোট ভাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শাওনের মা, শাওন ও অন্যপ্রকাশের মাজহার ছিলেন। আমি হাসপাতালে তার রুমে গিয়ে তাকে দেখে আসি। নিথর একটি দেহ পড়ে আছে ম্যানহাটনের বেলভ্যু হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। শরীরজুড়ে লাগানো লাইফ সাপোর্টের সব যন্ত্রপাতি। শাওন আমাকে বললো, সকাল পর্যন্ত অবস্থা আরও খারাপ ছিল। যেখানে আগে এক শ’ ভাগ লাইফ সাপোর্ট লাগছিল, এখন তা চল্লিশে নেমে এসেছে। আমি আশান্বিত হলাম- যাক তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। শাওনের কথাই বুঝলাম তিনি ভাল হয়ে উঠবেন। আমার প্রশ্ন যিনি ভাল হয়ে উঠছিলেন কেমন করে হঠাৎ করে তার মৃত্যু হলো। তিনি বলেন, হাসপাতালে গিয়ে জেনেছিলাম তার হয়েছিল সফল অপারেশন। ১০০ ভাগ সফল অপারেশন। এতটা সফল চিকিৎসকরাও বিস্মিত হয়েছিলেন। তিনি ১০ দিনের মধ্যেই অনেক ভাল হয়ে ওঠেন। তার চিকিৎসকও আমাকে বলেন, এত ভাল অপারেশন হয়েছে এবং এত সফল একটি অপারেশন হয়েছে যে আমরা হ্যাপি। তার কথায় আশ্বস্ত হলাম শাওনের কাছে জানতে চাইলাম, কি এমন হলো যে অপারেশন সাকসেসফুল হওয়ার পরও তার অবস্থা খারাপ হলো? শাওন বললো, অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছিল এটা ঠিক। কিন্তু পরে তার ইনফেকশন হয়ে গিয়েছিল। কেমন করে ইনফেকশন হয়েছিল জানতে চাইলে, শাওন এর তেমন কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ফেরদৌস আরা বলেন, আমি শুনেছি তার অপারেশন সফল হওয়ার কারণে তিনি সুস্থ বোধ করায় তাকে ১০ দিনের মাথায় বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাসায় নাকি তার কাছে অনেক মানুষ যেতো। বাসায় কি ঘটনা ঘটলো যে তার ইনফেকশন হলো? তাছাড়াও এত তাড়াহুড়া করে কেনই বা বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল?
    ফেরদৌস আরা বলেন, আমি হাসপাতালে যাওয়ার পর একজন আমার পাশেই ছিলেন। তিনি শাওনকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা তো আর আগের বাসায় থাকছেন না নতুন বাসায় গেছেন। শাওন বললো, হ্যাঁ। আমি ভেবেছিলাম, যেহেতু পুরনো বাসা থেকে অপারেশন করানো হয়েছে এজন্য বাসা পরিবর্তন করা হয়েছে। যাতে ভাইরাস তাকে আক্রমণ না করতে পারে। ব্যাপারটা সহজভাবেই নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তারা হঠাৎ করেই বাসা পাল্টালেন- এর পেছনে কি কোন রহস্য ছিল? কারণ যিনি তাদের আগের বাসা ঠিক করে দিয়েছিলেন তিনি বলছিলেন, আমি তো আগের বাসাটি ঠিক করে দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই তারা বাসা পরিবর্তন করেন। কেন করলো এটা জানি না। কারণ, বাসা বদলানোর সময় আমাকে জানানো হয়নি। ফেরদৌস আরা বলেন, এ বাসা বদলের পেছনের রহস্য কি জানা দরকার।
    ফেরদৌস আরা বলেন, হুমায়ূন আহমেদ যখন হাসপাতালে ছিলেন তখন তার কাছে অনেক মানুষ আসতো। অথচ তার ওখানে মানুষ যেতে দেয়া ঠিক হয়নি। আমিও তার রুমে ঢুকে তাকে দেখেছি। কিন্তু এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আর এ সতর্কতার জন্য তাদের কোন ব্যবস্থা ছিল না। কারণ ওখানকার হাসপাতালের চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন- তার কাছে এত বেশি ভিজিটর আসছে এটা তারা পছন্দ করছেন না। এ নিয়ে তারা বিরক্ত ছিলেন। এক পর্যায়ে তারা লোকের ভিড় কমানোর জন্য পুলিশ ডাকতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, হুমায়ূন আহমেদের অপারেশন হওয়ার পর যে ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার ছিল, অপারেশনের ১০ দিন পর বাসায় নিয়ে তার যে যত্নের দরকার ছিল তা হয়নি। এমনও শুনেছি তার ব্যান্ডেজ নাকি বাসাতেও ইচ্ছামতো পরিবর্তন করা হতো আর লাগানো হতো। এটা শুনে আমি অবাক হয়েছি। এটা কেমন কথা? এত বড় অপারেশনের রোগীকে নিয়ে এসব কি করা হয়েছে! অপারেশনের পর রোগীকে বাসায় নিয়ে যেসব নিয়ম কানুন মানা দরকার তার কিছুই করা হয়নি। এ কারণেই তার ইনফেকশন হতে পারে। ফেরদৌস আরা বলেন, আমার সময় খুব কম ছিল এ জন্য আমি আর আমেরিকায় থাকিনি। হুমায়ূন আহমেদকে দেখে সে রাতেই আমি নিউ ইয়র্ক থেকে ঢাকা রওনা হই। ১৯শে জুলাই সকালে ঢাকায় পৌঁছাই। বিমানপথে একটানা ভ্রমণ করেছি। বাসায় ফিরে বিশ্রাম নিই। রাতে টেলিভিশন দেখছি- এ সময় খবর পেলাম হুমায়ূন আহমেদ আর নেই। তখন নিজের কানকে বিশ্বাস হচ্ছিল না। মনে হলো কি এমন হলো যে যাকে মাত্র ৪৮ ঘণ্টাও হয়নি দেখে এলাম- তিনি মারা গেলেন। যেখানে শুনে এলাম তিনি ভাল হয়ে উঠছেন- এরপরও এটা কেমন করে হলো? তিনি বলেন, মারা যাওয়ার পর তাকে দেশে নিয়ে আসা ও কবর দেয়া নিয়ে যেসব ঘটনা ঘটলো এগুলোই কি ঠিক হলো? তার কবর কোথায় হবে এ সিদ্ধান্ত আরও দ্রুত নেয়া যেতো। তার মায়ের সিদ্ধান্ত নিলেই হতো। কিংবা তার পরিবার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা-ই ঠিক ছিল। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্য যে চাপ প্রয়োগ করা হলো তা কি ঠিক হলো? আর যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও বসে একজন বলেছেন বলে শুনেছি যে, হুমায়ূন আহমেদের কবর কোথায় হবে দেশে গিয়ে ঠিক করবেন, সেখানে দেশে ফিরেই বললেন অন্য কথা। এখানেও প্রশ্ন। তার শেষ ইচ্ছার কথা বলে এবং তার কবর কোথায় হবে এ নিয়ে কথা বলার পেছনেও কি কোন রহস্য আছে? ফেরদৌস আরা বলেন, তাকে সমাহিত করার জন্য যত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া যেতো ততই ভাল ছিল। কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতার কারণে একদিন তাকে বারডেমে রাখতে হলো- এটাও ঠিক হলো না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার ভাই জাফর ইকবাল একদিন আগে চলে এলেন। তিনি তো লাশ নিয়ে আসতে পারতেন। কিন্তু কি এমন হয়েছিল যে তাকে লাশ আনতে দেয়া হলো না?

    Source:

    http://www.mzamin.com/details.php?ni...%3D&c=MQ%3D%3D
    Last edited by Metal; July 25th, 2012 at 13:19.
    =====================================================
    Power is not only what you have but what the enemy thinks you have.
    =====================================================

Similar Threads

  1. Sale (Used) Samsung 18x dvd writter [IDE PORT]
    By pre in forum Shop - Gadgets
    Replies: 2
    Last Post: March 14th, 2012, 19:51
  2. Humayun Faridi passes away
    By Rumen in forum News
    Replies: 16
    Last Post: February 14th, 2012, 19:49
  3. Gpu died!!!!!!
    By showdown_king in forum GPU
    Replies: 13
    Last Post: September 7th, 2010, 23:19
  4. Closed Dvd writter.Valo condition of course
    By Banglavai in forum Shop - Gadgets
    Replies: 8
    Last Post: May 31st, 2010, 18:35

Tags for this Thread

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •  
Page generated in 0.31923 seconds with 15 queries.